হাবিপ্রবিতে প্রভাষকদের ‘Pedagogy’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
Posted: ২৫ জুন, হাবিপ্রবি, দিনাজপুর

_

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং (আইআরটি)’র আয়োজনে বিভিন্ন বিভাগের প্রভাষকদের Pedagogy Training শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়| আজ সকাল ১০ ঘটিকায় আইকিউএসি কনফারেন্স কক্ষে উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এবং রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)’র মাননীয় সদস্য প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ছিলেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা| এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার, ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির| অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং (আইআরটি)’র পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আলমগীর হোসেন এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইআরটি’র উপ-পরিচালক মো. শাহজাহান মন্ডল|




প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)’র সম্মানিত সদস্য প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের দেশের মানবসম্পদ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সক্ষমতার দিক দিয়ে অত্যন্ত মেধাবী| দেশের বাহিরে ¯^নামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকেরা আমাদের রেফারেন্স দিয়ে থাকেন| আমাদের মনে রাখতে হবে যে ফ্যাকাল্টি যত বেশী রিসার্চ করবে সে ততই উন্নত হবে| আমাদের সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টা থাকবে কিভাবে একটা লেভেলে পৌছানো যায় অর্থাৎ উচ্চ স্তরে পৌছানো যায় এবং পেশাগত উন্নয়ন করা যায়| শিক্ষকদের শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে একটি ডিজাইন তৈরি করতে হবে| যাতে করে আত্নপরিচয় তৈরি করা যায়| একজন মানুষের নিজস্ত ইন্টেলেকচুয়াল অথরিটি হিসেবে তৈরি হওয়ার জন্য পেডাগজি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ| সামাজিক অবক্ষয়ের বিষয়সমূহ আমাদের গবেষণার বিষয় অথচ সমাধানের সফলতা সন্তোষজনক নয় অর্থাৎ আমরা সমাধানে সফল হতে পারছিনা| সেক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে বিধায় এক্ষেত্রে পেডাগজিকে কাজে লাগাতে হবে| একজন শিক্ষার্থীর সার্বিক সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে শিক্ষকদের বিশেষ নজর থাকতে হবে| গুণগত রিসার্চ পেপার তৈরির ক্ষেত্রেও আমাদের বিশেষভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে|


_

অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা বলেন, আজকের এই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত সম্মানিত প্রধান অতিথি এবং শিক্ষকবৃন্দসহ সকলকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন| এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা আমাদের উচ্চশিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ| নতুন শিক্ষকদের দক্ষ ও নিবেদিত প্রাণ হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য| বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন যদি এই সম্পর্কিত উদ্যোগ বিশেষ করে শিক্ষক নিয়োগ এবং শিক্ষকদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করে তাহলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা তথা দেশ উপকৃত হবে| উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশের মত বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাসহ স্কলারশিপ দিয়ে আমাদের দেশে পি.এইচ-ডি ডিগ্রীর ব্যবস্থা করতে হবে| যাতে করে আমরা দেশেরে মেধা দেশেই রাখতে পারি এবং তারা দেশের শিক্ষা এবং আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে| নতুন শিক্ষকদের গবেষণা ও প্রকাশনাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের নিকট বাজেট বরাদ্দের জন্য প্রধান অতিথির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন|


_

পরিশেষে, কর্মশালার সার্বিক সাফল্য কামনা করে ভিসি মহোদয় এই আয়োজনের জন্য আইআরটি’র সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান| উল্লেখ্য, আজকের এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৩৩ জন প্রভাষক অংশগ্রহণ করেন|


News and Events

winwin winwin winwin winwin winwin bongda tv winvn SEN88 D9BET